মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪

‘আন্দোলনে সহিংসতার উপাদান যুক্ত হলে খবর আছে’  

ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২৯ জুন, ২০২৪ ২১:৪১

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনে নামা দলটির নেতাদের উদ্দেশে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, পরিষ্কার বলে দিতে চাই, আন্দোলন করছেন, করেন। তবে আন্দোলনে সহিংসতার উপাদান যুক্ত হলে খবর আছে।

শনিবার বিকেলে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

আবারও খেলা হবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, খেলা হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে, খেলা হবে অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে, লুটপাটের বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, বিএনপি বড় বড় কথা বলে। তাদের আন্দোলন ভুয়া। বিএনপিতে এখন আতঙ্কের নাম তারেক রহমান। মধ্য রাতে টেমস নদীর পাড় থেকে ফরমান আসে। একজন গেল, আরেকজন এল, মধ্যরাতের ফরমান। তারেক রহমানের এ ফরমানে ফখরুল ইসলাম, গয়েশ্বর বাবু কোথায় যান? কেউ জানে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘লন্ডনে বসে কর্মসূচি দেয় মেড ইন লন্ডন। নতুন নেতৃত্ব পাঠায় ফরমান আকারে। লন্ডনে বসে নেতা বানায়, কর্মসূচি দেয়। এই মেড ইন লন্ডন কর্মসূচি মানে কী? খেলা কিন্তু হবে, ছেড়ে দেওয়া হবে না।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী প্রতিষ্ঠান আওয়ামী লীগ। ৭৫ বছর এই প্রতিষ্ঠানের বয়স। দীর্ঘ সংগ্রাম, আন্দোলন, ঝড়, অন্ধকার, স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দীপ্ত পায়ে এগিয়ে যাওয়ার নাম আওয়ামী লীগ। আমরা মৃত্যুর মিছিলে দাঁড়িয়ে জীবনের জয়গান গাই। আমরা ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে সৃষ্টির পতাকা ওড়াই। আমাদের শিকড় বাংলাদেশের মাটির অনেক গভীরে। আমাদের জন্ম জনতার মাঝ থেকে। আমরা অস্ত্র উঁচিয়ে শেষ রাতে ক্ষমতা দখলকারী দল নই। জনগণের মাঝে জনগণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে।’

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম বছরব্যাপী উদ্‌যাপন করব। সেখানে খবর হয় আমরা নাকি পাল্টাপাল্টি করছি। গতকাল আমরা সাইকেল র‍্যালি করেছি, বিএনপির কী কিছু ছিল? তাহলে কেন এই অপবাদ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দিচ্ছেন? আমরা সারা বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করব। আমাদের কেন্দ্র থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালন করা হবে। আগস্ট মাসের পরে জেলা পর্যায়ে সমাবেশ হবে। সে সমাবেশে শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখবেন।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাঈদ খোকন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।


বিএনপির ঘুম হারাম হয়ে গেছে: ওবায়দুল কাদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির ঘুম হারাম হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ সোমবার তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের বলেন, ‘বিএনপির চোখে ঘুম নেই, ঘুম হারাম হয়ে গেছে। ফখরুলের চোখে অশান্তির আগুন। লন্ডন থেকে ফরমান আসে, ইন অ্যান্ড আউট। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে কখন? তারা নিজেরা নিজেদের বিশ্বাস করে না। কেউ কাউকে পছন্দ করে না। একজন আরেক জনকে বলে সরকারের এজেন্ট। তাদের আন্দোলন ভুয়া।’

বিএনপির এক দফা কোথায় গেলো প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘গেলো রে গেলো, সব নাকি ইন্ডিয়া হয়ে গেলো। গেলো রে গেলো, স্বাধীনতা গেলো, গেলো রে গেলো সার্বভৌমত্ব গেলো। কোথায় গেলো? ৫৩ বছর আমরা স্বাধীনতা নিয়ে টিকে আছি। কোথায় যাবো? ভারত আমাদের বন্ধু।’

বিএনপি ভারতের দাসত্ব চেয়েছিল মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মনে আছে, নরেন্দ্র মোদি যখন ক্ষমতায় আসে প্রথম দিন সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে বিএনপি নেতারা ভারতের হাইকমিশনের সামনে হাজির। হাইকমিশন বন্ধ, মিষ্টি আর ফুল নিয়ে হাজির। এই হলো বিএনপি। তারা ভারতের বিরোধিতা করে কিন্তু ওয়াশিংটনের ইচ্ছায় ভারতের কাছে গ্যাস বিক্রির অঙ্গীকার করে ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে ২৫ বছরের মৈত্রী চুক্তি বঙ্গবন্ধু করে গিয়েছেন বলেই আজ ৬৮ বছরের সীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়, আরেকটা বাংলাদেশের সমান সমুদ্রসীমা আমরা ভারতের কাছ থেকে আদায় করতে পেরেছি, শান্তিপূর্ণভাবে ছিটমহল বিনিময় হয়েছে।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ বজলুর রহমান।


খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে বিএনপি জনগণকে বিভ্রান্ত করছে

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দলটির (বিএনপি) নেতারা জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আজ রোববার (৩০ জুন) আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক বিবৃতিতে তিনি একথা বলেন। কাদের বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে নিজ বাসায় থেকে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির মুক্তভাবে এভাবে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের নজির নেই। এরপরও সংবিধান ও আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামির মুক্তি দাবি ধৃষ্টতা ছাড়া কিছু নয়।’

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ‘আন্দোলনের নামে বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি জনগণ বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে। বিএনপি আজ একটি ব্যর্থ রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। এখন তাদের তথাকথিত আন্দোলনের বিষয় দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত অসুস্থ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়া একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ার পরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে নিজ বাসায় থেকে দেশের সর্বাধুনিক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছেন। সেখানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তার উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির মুক্তভাবে এভাবে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের নজির নেই উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি গত কয়েক বছর ধরে আইনগত পদ্ধতি ব্যতিরেকে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করছে। এমনকি খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে জনগণকে উসকানি দিচ্ছে। আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে জনগণের কাছ থেকে করুণা আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। খালেদা জিয়া দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সংবিধান ও আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামির মুক্তি দাবি ধৃষ্টতা ছাড়া কিছু নয়। আইনগত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কোনো সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির দেশত্যাগ করার কোনো বিধান নেই। মানবিক কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে সাজা স্থগিত করে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছেন। বিএনপি এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে, উচ্চ-আদালতে না গিয়ে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপি কখনো আইনের শাসনে বিশ্বাস করে না এবং চিরাচরিতভাবে আইন, বিচারব্যবস্থা, সংবিধান ও গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আওয়ামী লীগ দেশে সংবিধান ও আইনের শাসন বজায় রাখতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। কোনো প্রকার বেআইনি, অযাচিত ও অযৌক্তিক দাবি কোনো গণতান্ত্রিক সরকার মানতে পারে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অতীতের মতো আন্দোলনের নামে যে কোনো সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে।


রাজধানীর পৃথক দুই জায়গায় চলছে আ.লীগ-বিএনপির সমাবেশ

আপডেটেড ২৯ জুন, ২০২৪ ১৭:৫৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

বেশ কয়েক মাস পর রাজধানীতে আবার রাজনীতির মাঠ কিছুটা গরম। নগরীতে বড় দুটি রাজনৈতিক দল পাশাপাশি আবারও সমাবেশ করছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ঠিক এমনটি দেখা গিয়েছিল। তবে ৭ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচনের পর এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো একই দিনে কর্মসূচি ডেকেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। নির্বাচনের আগে একটি দল সমাবেশের ঘোষণা দিলে, আরেকটি দলও তাদের রাজনৈতিক সমাবেশের কর্মসূচিতে যেতো।

ঠিক তেমনটি আবারও আজ শনিবার রাজধানীতে দেখা যাচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আজ ঢাকায় সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। একই সময়ে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে পাল্টা কর্মসূচি দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

গত ২৬ জুন খালেদা জিয়ার অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে নতুন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার কথা জানায় দলটি।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিকেল ৩টায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রায় ১.৬ কিলোমিটার দূরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

গত ৩০ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাজধানীতে কালো পতাকা মিছিল করে বিএনপি। একই দিনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর 'অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের' প্রতিবাদে দেশব্যাপী সমাবেশের আয়োজন করে আওয়ামী লীগ।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে নির্দলীয় নিরপেক্ষ প্রশাসনের অধীনে সাধারণ নির্বাচনের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাকার পর একইদিনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও 'শান্তি সমাবেশ' করেছে।

এদিকে আজ শনিবার প্রায় আট মাস পর দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীর নয়াপল্টনে শান্তিপূর্ণ বড় সমাবেশ করছে বিএনপি। এদিকে একই সময়ে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে নিজেদের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগ পাল্টা কর্মসূচি দিয়েছে। এই পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ও আলোচনা সভাকে কেন্দ্র করে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

শনিবার বিকেল তিনটায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগ তাদের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিকেলে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভা করছে। তবে আলোচনা সভা রুপ নিয়েছে সমাবেশে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তার বক্তব্যে এই সমাবেশকে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ না বলে উল্লেখ করে বলেন, ‘এটি পাল্টাপাল্টি সমাবেশ নয়। প্রতিষ্ঠার্ষিকী উপলক্ষে বছরব্যাপী কর্মসূচি পালন করছে আওয়ামী লীগ।’

অন্যদিকে সমাবেশ দুটিতে নিরাপত্তার বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, রাজধানীতে একই দিনে বৃহৎ দুই রাজনৈতিক দল- আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমাবেশ ও আলোচনা সভাকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে তৎপর বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা।

এদিকে বিএনপির সমাবেশ উপলক্ষে শনিবার সকাল থেকেই রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং এর আশপাশের এলাকায় নেতাকর্মীরা জড়ো হতে দেখা গেছে। স্লোগান দিয়ে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলের দিকে যেতে দেখা যায়।

এদিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভার প্রস্তুতি নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ সমাবেশকে কেন্দ্রে করে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।

পুলিশ বলছে, বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা ঝামেলা কেউ বা কোনো গোষ্টি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রয়েছে পুলিশের। সমাবেশ স্থলে আগতদের সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারাও মনিটরিং করা হচ্ছে। যদি কেউ কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে তবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ভারতের সঙ্গে কানেক্টিভিটি আওয়ামী লীগের অর্জন: সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রতিবেশীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব না থাকলে টেকসই উন্নয়ন ধরে রাখা যাবে না। এ অঞ্চলে বাংলাদেশ প্রক্সি যুদ্ধ চায় না। অনেকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তবে বাস্তবতা হলো ভারতের সঙ্গে কানেক্টিভিটি আওয়ামী লীগের অর্জন। এ সম্পর্কের জন্য বাংলাদেশ লাভবান হচ্ছে।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অ্যাডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (ইআরডিএফবি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ভালো সম্পর্কের ফলে উভয় দেশের কী অর্জন হয়েছে সে ব্যাপারে গবেষণার আহ্বান জানিয়ে মোমেন বলেন, অনেকে বলবেন, আমাদের কিচ্ছু (অর্জন) নেই। আমাদের দেশ থেকে কয়েক লাখ লোক ভারতে সহজে যাচ্ছে চিকিৎসার জন্য। সহজে যাচ্ছে বাজার-টাজার করার জন্য; এটাই তো বড় অর্জন! যদি সম্পর্ক খারাপ থাকত, তাহলে কিন্তু খবর ছিল।

ভারতেরও অনেক অর্জন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের পূর্ব সীমান্ত নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। তাদের লাখ লাখ কোটি টাকা খরচ করতে হয় না। সুসম্পর্ক থাকার ফলে তাদের দেশের উন্নয়নটা টেকসই হচ্ছে। আমাদের দেশের উন্নয়নকে টেকসই করে রাখতে গেলে আমাদের অবশ্যই বৈশ্বিক সম্পর্ক বন্ধুপরায়ণ হবে। বন্ধু যদি না থাকে, বন্ধুপরায়ণ না হয়, তাহলে আমাদের এই উন্নয়নটা টেকসই হবে কি না সন্দেহ আছে। এ জন্য আমি বলি, আমাদের দরকার অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের সফল এবং গৌরবময় এ ৭৫ বছরের ইতিহাসে ৪৩ বছর নেতৃত্ব দিচ্ছেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দক্ষতার সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা করে আসছেন। তার জাদুকরি নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের তালিকায় নিম্নআয়ের দেশ থেকে বেরিয়ে নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশে জায়গা করে নিয়েছে আরও আগেই।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বড় প্রকল্পগুলোর উদ্যোগ নিয়েছে এই সরকার, বাস্তবায়নও প্রতিনিয়ত দৃশ্যমান হতে চলেছে। ভাবা যায়, ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হিসেবে আখ্যায়িত এই দেশে আজ হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে পদ্মা সেতু, ঢাকা মেট্রোরেল, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং কর্ণফুলী ট্যানেলসহ অনেক উন্নয়ন প্রকল্প।


ভারতের ট্রেনের বিরোধিতা দেশের মঙ্গল আনবে না: হানিফ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের ট্রেন চলার বিরোধিতা করলে তা দেশের জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

আজ শুক্রবার (২৮ জুন) সকালে কুষ্টিয়ার পিটিআই রোডের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হানিফ বলেন, ‘পৃথিবীর বহু দেশের মধ্যে রেল সংযোগ আছে, এগুলো নতুন কিছু নয়। একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও আধুনিকীরণ। এটা নিয়ে বিএনপি নেতারা যে বিরোধিতা করছেন তা দেশের জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না।’

আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে আটক রাখা হয়েছে বলে বিএনপি নেতাদের বক্তব্য মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। এটা বিএনপির চরম মিথ্যাচারের একটি অংশ। খালেদা জিয়ার নামে মামলা আওয়ামী লীগ সরকার করেনি, করেছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। বিএনপির আইনজীবীরা খালেদা জিয়াকে নির্দোষ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছেন বলেই আদালত তাকে দণ্ড দিয়েছে।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের লোডশেডিং বিষয়ে হানিফ বলেন, ‘সম্প্রতি বিদ্যুৎ নিয়ে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে তার কারণ মূলত দুটি। একটি হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়লেও সরবরাহ লাইনগুলোর কিছু সমস্যা রয়েছে। আরেকটি হলো বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বেশি। সরকারকে অনেক ভর্তুকিও দিতে হয়। তাই চাপ কমানোর জন্য সরকারকে দফায় দফায় দাম বাড়াতে হয়। তবে এখন অনেকটাই সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে, দ্রুতই বিদ্যুতের সব সমস্যার সমাধান হবে।’

বিষয়:

বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের সীমা তুলে নেবে মালদ্বীপ

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মালদ্বীপে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের সীমা তুলে নিতে আইন সংশোধনির প্রস্তাব করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যান্ড টেকনোলজি মন্ত্রী আলী ইহুসান। গত ২৬ জুন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষেবা সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির একটি অধিবেশন চলাকালে ঘোষণাটি দেওয়া হয়।

স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বর্তমান সীমা সম্পর্কে কমিটির অনুসন্ধানের জবাবে মন্ত্রী ইহুসান বলেছিলেন যে, শ্রমের বিদ্যমান এবং প্রত্যাশিত চাহিদার কারণে সীমাটি তুলে নেওয়া উচিত। বর্তমান কর্মসংস্থান আইনের অধীনে, সর্বোচ্চ এক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে মালদ্বীপে আনা যেতে পারে।

অভিবাসীদের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে মন্ত্রী ইহুসান প্রকাশ করেছেন যে, ৯০ হাজার ৬২৪ জন বাংলাদেশি শ্রমিক বর্তমানে মালদ্বীপে বসবাস করছেন। এক লাখে পৌঁছানোর জন্য অতিরিক্ত প্রায় নয় হাজার কর্মী নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। অভিবাসীদের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু প্রক্রিয়াকে সহজতর করে দ্বীপগুলোতে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ পারমিট প্রবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে, অপব্যবহার ঠেকাতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য প্রবেশের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কারণ মালদ্বীপে শ্রমিক আনার জন্য জাল নথি ব্যবহার করা হয়েছে এমন একাধিক ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

কবে নাগাদ তদন্ত শেষ হবে সেই বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


যারা আন্দোলনের সুযোগ খুঁজছে তারা ফের ভুল পথে যাচ্ছে: কাদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ভারত বিরোধিতার নামে আজকে যারা আন্দোলনের সুযোগ খোঁজার চেষ্টা করছে তারা ফের ভুল পথে যাচ্ছে। ভারত বিরোধীরা ফের ভুল করছে। আর আওয়ামী লীগ কোনো পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি দিচ্ছে না। আওয়ামী লীগের বছরব্যাপী কর্মসূচি আগেই ঘোষিত হয়েছে। কেন্দ্রের পর মহানগর এবং আওয়ামী লীগের সব সহযোগী সংগঠন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানমালা আয়োজন করবে।’

আজ শুক্রবার সকালে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সংসদ ভবনের সামনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আয়োজিত সাইকেল শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারত একাত্তরের বাংলাদেশের ‘পরীক্ষিত বন্ধু’ জানিয়ে কাদের বলেন, পিতার হাতে স্বাধীনতা, কন্যার হাতে মুক্তি। বিদেশে আমাদের প্রভু নেই, আপনাদের (বিএনপি) আছে। বিদেশে আমাদের আছে বন্ধু। বঙ্গবন্ধুকন্যা যা করেন বাংলাদেশের স্বার্থে করেন। স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে তিনি কোনো বন্ধুত্বে আবদ্ধ হন না। এ সময় সব অপশক্তিকে রুখে দিতে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান কাদের।

আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় ১৫০০ সাইক্লিস্টের অংশগ্রহণে ওই শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সুস্থ থাকতে হলে আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে হবে। এ জন্য সাইক্লিংয়ের কোনো বিকল্প নাই।’ ভবিষ্যতে ডিএনসিসি এলাকায় আলাদা সাইকেন লেন ও নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক সাইক্লিং ইভেন্ট আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।

শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু হয়ে ঢাকার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান তারা।

শোভাযাত্রায় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা ৮ আসনের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপদপ্তর সম্পাক সায়েম খান, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বজলুর রহমান, ডিএনসিসির কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।


২০২৩ সালে আ.লীগের আয় ২৭ কোটি টাকা

আগের বছরের তুলনায় আয় ও ব্যয় বেড়েছে
ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

নির্বাচন কমিশনে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ২০২৩ সালে দলটির আয় হয়েছে ২৭ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। আর ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।

আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে ২০২৩ সালের দলীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয় আওয়ামী লীগ। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনের সচিব শফিউল আজিমের কাছে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয় আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধিদল। পরে দলটির কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান সাংবাদিকদের দলের আয়-ব্যয়ের তথ্য জানান।

সংসদ নির্বাচনের নমিনেশন ফরম ছাড়াও আওয়ামী লীগের ২০২৩ সালে মাসিক চাঁদা এক কোটি ৬৩ লাখ ৬৩ হাজার, মেঘনা ব্যাংকের অনুদান ১ কোটি ১ লাখ, অন্যান্য ফরম বিক্রি ২ কোটি ২৯ লাখ ৮৪ হাজার, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর ভাড়া ১৫ লাখ ৩৫ হাজার, ব্যাংক সুদ থেকে ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৪১ হাজার এবং অন্যান্য খাত থেকে ৩৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা।

এর আগের বছর ২০২২ সালে আওয়ামী লীগের আয় হয় ১০ কোটি ৭১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৬৮ টাকা। ব্যয় হয় ৭ কোটি ৮৬ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৯ টাকা। ২০২৩ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দলের আয় ও ব্যয় বেড়েছে বলে জানা গেছে।

আশিকুর রহমান বলেন, মাসিক চাঁদা, অনুদান, মনোনয়নপত্র বিক্রি, ভাড়া, ব্যাংক সুদ ও অন্যান্য খাত থেকে আয় এসেছে। আর ব্যয় হয়েছে বেতন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নানা খরচ, পোস্টার ছাপানো, মানুষকে অনুদান ইত্যাদি খাতে।

নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে পূর্ববর্তী পঞ্জিকাবর্ষের দলের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ইসির কাছে জমা দিতে হয়। কোনো দল পরপর তিন বছর হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে নিবন্ধন বাতিল করতে পারে ইসি। বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪৪।

নির্বাচন কমিশনে আসা প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান।

বিষয়:

প্রতিনিয়তই মেট্রোরেলের জনপ্রিয়তা বাড়ছে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘চালু হওয়ার পর থেকে প্রতিনিয়তই মেট্রোরেলের জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে। মেট্রোরেলে এখন প্রতিদিন তিন লাখ মানুষ চলাচল করছেন।’

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বাসরুট রেশনালাইজেশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে ভিন্ন ভিন্ন রঙের ৯টি ক্লাস্টার, ২২টি কোম্পানি ও ৪২টি রুটের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এর মাঝে ৬টি ক্লাস্টার নগর পরিবহণ ও ৩টি ক্লাস্টার শহরতলি পরিবহণ। ২০২১ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে পরীক্ষামূলক ঢাকা নগর পরিবহণ উদ্বোধন করা হয়। ওই সেবায় বিআরটিসির ৩০টি বাস চলছে। পরবর্তীতে ২০২২ সালের অক্টোবরে ঘাটারটর-স্টাফ কোয়ার্টার ও ঘাটারচর-কমদতলী থানা রুটে নগর পরিবহণ চালু করা হয়। বর্তমানে ঘাটারটর-স্টাফ কোয়ার্টার রুটটি বন্ধ রয়েছে। অপর রুটে ২৫টি দ্বিতল বাস চলছে। ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে ২৫টি বাস চালানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর পরে ঘাটারচর-মিরপুর-উত্তরা দিয়াবাড়ি ও ঘাটারচর-খামারবাড়ি-দিয়াবাড়ি রুট দুটি চালু করা হবে। চলতি বছরের মধ্যে আরও দুটি রুটে বাস চালুসহ সবুজ ক্লাস্টার সম্পূর্ণরূপে চালু করা হবে।

রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জনসাধারণ নিরাপদে স্বাচ্ছন্দ্যে ও স্বল্প সময়ে মেট্রোরেলে যাতায়াতের সুফল ভোগ করছে। প্রতিদিন তিন লাখ মানুষ মেট্রোরেলে যাতায়াত করছেন।

এছাড়া বিআরটি প্রকল্পের আওতায় গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট এলাকাকে যানজটমুক্ত এবং সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আনতে ছয়টি স্থানে সাতটি ফ্লাইওভার উন্মুক্ত করা হয়েছে। গাজীপুর চৌরাস্তায় আরেকটি ফ্লাইওভার আগামী আগস্ট নাগাদ শেষ হবে। গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত বিআরটি প্রকল্পটি পুরোপুরি শেষ হলে এ সড়কে ট্রাফিকের চাপ কমে যাবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে ছোট-বড় ৪ হাজার ১৬৬টি সেতু রয়েছে। সেতুগুলো রক্ষণাবেক্ষণে ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত ১ হাজার ৯১৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। চলতি অর্থবছরে সেতুগুলো রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ৩৫৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।


এখনো ঝুঁকিমুক্ত নন খালেদা জিয়া

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খানিকটা উন্নতি হয়েছে। তবে অপারেশন-পরবর্তী ঝুঁকি থেকে এখনো মুক্ত নন তিনি। সে কারণে এখনো চিকিৎসকদের বাইরে অন্য কাউকে তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না।

বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমানে খালেদা জিয়া কেবিনে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিয়মিত তার শারীরিক অবস্থার পর্যালোচনা করছেন চিকিৎসকরা। এ পরিপ্রেক্ষিতে ওষুধের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এখনো তিনি ভারী খাবার খেতে পারেন না। তরল জাতীয় খাবার দেওয়া হচ্ছে তাকে।

আজ বৃহস্পতিবার বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) অবস্থা খুব বেশি ভালো নয়। তাকে কেবিনে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা।’

এ বি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, তিনি এমনিতে খাবার কম খান। এখন শুধু তাকে তরল স্যুপ ও জাউ জাতীয় খাবার দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তার শারীরিক অবস্থা আগের চাইতে উন্নতি কিংবা অবনতি হয়নি। আগের মতোই আছেন তিনি।

বিএনপির একজন চিকিৎসক নেতা বলেন, অপারেশনের পর তার অবস্থা এখন কিছুটা উন্নতির দিকে। কিন্তু অপারেশন-পরবর্তী ইনফেকশন হওয়ার একটা ভয় থাকে। যার কারণে কাউকে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। কেবিনে চিকিৎসকদের বাইরে শুধু তার ব্যক্তিগত স্টাফরা রয়েছেন।

গত ২৩ জুন খালেদা জিয়ার হৃদ্‌যন্ত্রে পেসমেকার বসানো হয়। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা চলছে।

গত ২১ জুন মধ্য রাতে খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের দুটি দুর্নীতি মামলায় ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দণ্ডিত হন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সে দিনই তাকে কারাগারে যেতে হয়। টানা দেড় বছর ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ থাকার পর নানা শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ কারাকক্ষে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে ২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনার সংক্রমণ শুরু হলে ওই মাসের শেষ দিকে পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে তাকে দুটো শর্তে কারামুক্তি দিয়ে বাসায় চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। শর্ত দুটো হচ্ছে তিনি রাজনীতিতে যুক্ত থাকতে পারবেন না এবং তাকে দেশেই চিকিৎসা নিতে হবে অর্থাৎ বিদেশে যেতে পারবেন না। তখন থেকে প্রতি ৬ মাস পরপর পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে তার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়িয়ে যাচ্ছে সরকার। তবে বর্তমানে খালেদা জিয়া বেশ অসুস্থ। গত ২৩ জুন তার হৃদ্‌যন্ত্রে পেসমেকার বসানো হয়েছে।

এ ছাড়া তিনি লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিসসহ নানা জটিলরোগে ভুগছেন। এদিকে তার দল বিএনপি উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর দাবিতে বিচ্ছিন্নভাবে আন্দোলন করে যাচ্ছে।

বিষয়:

দুর্নীতিবাজদের মুখোশ উন্মোচন আগেও দেখেছি: জি এম কাদের

বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ধুমধাম করে দুর্নীতিবাজদের মুখোশ উন্মোচনের কাজ আগেও দেখেছি। ক্যাসিনো নিয়ে যাদের ধরা হয়েছিল, তারা এখন বহাল তবিয়তে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

আজ বুধবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের দেওয়া সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘সাধারণ মানুষের ধারণা, সরকারে থেকেই রাজনীতিবিদরা দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। সরকারি ক্ষমতা অপব্যবহার করে দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়েছে। সরকার এত ক্ষমতাবান হয়ে গেছে, তারা জবাবদিহির স্তম্ভগুলো পাশ কাটিয়ে যেতে পারছে। জবাবদিহি না থাকার কারণেই দেশে অর্থনৈতিক মন্দা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, নিরাপত্তার অভাব এবং ভালো দেশের আশা থেকে মানুষ নিরাশ হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দুদকের কর্মকাণ্ড নিয়ে জনমনে সন্দেহ আছে। আমরা দেখেছি, দুদক সবসময় বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের দিকে বেশি দৃষ্টি দেয়। অনেক বড় রুই-কাতলা সরকারের সঙ্গে থাকছেন, সরকারের আনুকূল্য পাচ্ছেন, তাদের দিকে দুদকের দৃষ্টি কম। সাধারণ মানুষের ধারণা, দুদক ক্ষমতাসীনদের ধরে ধরে ক্লিন সার্টিফিকেট দেয়।’

‘রাজনীতিবিদরা দেশের সব কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেবেন, এটাই স্বাভাবিক। রাজনীতিবিদদের হাতেই দেশের স্টিয়ারিং হুইল থাকে। রাজনীতিবিদরা যেদিকে দেশকে নিয়ে যাবেন, দেশ সে দিকেই যাবে। রাজনীতিবিদরা চাইলেই আমলারা দুর্নীতিবাজ হতে পারেন। রাজনীতিবিদরা চাইলেই ব্যবসায়িরা রাজনীতিবিদ হয়ে দুর্নীতিবাজ হতে পারেন। এটা প্রতিদিন বেড়েই চলছে’- যোগ করে বললেন বিরোধীদলীয় নেতা।

তিনি বলেন, ‘উদ্ধার পেতে হলে রাজনীতিবিদদের দিকেই দৃষ্টি দিতে হবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান দেওয়া ঠিক না। আইনের শাসন অর্থ কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। সরকারের দায়িত্ব ছিল এটা নিশ্চিত করা, যত ক্ষমতাধরই হোক, সবাইকে আইনের আওতায় থাকতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুর্নীতি হঠাৎ করে দেখা গেছে, হঠাৎ করে শুরু হয়নি। রাজনীতিবিদরাই দীর্ঘদিন ধরে দেশের দুর্নীতি ধামাচাপা দিয়ে রেখেছেন। রাজনীতিবিদরাই দুর্নীতিকে সহায়তা করেছেন। আমলাদের দুর্নীতি থেকে রাজনীতিবিদরাই মুনাফা নিয়েছেন।’

তাই দুর্নীতি রোধ করতে হলে রাজনীতিবিদদের টার্গেট করতে হবে। কাউকেই আইনের ঊর্ধ্বে রাখা যাবে না। আইনের শাসন নিশ্চিত হলেই জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত হবে বলেও জানান তিনি।


দুর্নীতি করে কেউ ছাড় পাবে না: ওবায়দুল কাদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স, কেউ দুর্নীতি করে ছাড় পাবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ বুধবার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিআরটিসির বিমানবন্দর শাটল বাস সার্ভিসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি মনে করি দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদক আছে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান জিরো টলারেন্স। তিনি এক্ষেত্রে অটল। দুদক সম্পূর্ণ স্বাধীন।’

তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি যেই করুক এক্ষেত্রে সরকারের জিরো টলারেন্স। দুদকের দুর্নীতির তদন্ত করার অধিকার রয়েছে এবং এখানে সরকার তাদের স্বাধীনতায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না। সারা বিশ্বেই দুর্নীতি আছে। বাংলাদেশেও দুর্নীতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দুর্নীতি শুধু আমলারা করে, রাজনীতিবিদরা করে না-সেটা ঠিক নয়। যখন আমরা কথা বলি তখন আয়নায় নিজেদের চেহারাও দেখা উচিত। আমি একজন পলিটিশিয়ান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলছি, কিন্তু আমাদের মধ্যেও তো করাপশন রয়েছে।’

এর আগে ওবায়দুল কাদের ফিতা কেটে আগত দেশি বিদেশি পর্যটক, রেমিটেন্স যোদ্ধা এবং সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াতের সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে বিমানবন্দর শাটল বাস সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন করেন।

বিমানবন্দর শাটল বাস সার্ভিসের রুটগুলো হলো বিমানবন্দর টার্মিনাল-২ বিমানবন্দর গোলচত্বর উত্তরা জসীম উদ্দীন রোড, বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন বিমানবন্দর টার্মিনাল-৩ বিমানবন্দর গোলচত্বর বিমানবন্দর টার্মিনাল-২।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


banner close