শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১

শেখ হাসিনাকে এরদোয়ানের ফোন

আপডেটেড
১ জুন, ২০২৩ ১১:৪৫
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১ জুন, ২০২৩ ১১:৪৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে তিনি ফোন করেন। দুই নেতা এ সময় কুশল বিনিময় করে ১০ মিনিট পরস্পরের সঙ্গে কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টেলিফোনে আলাপকালে এরদোয়ান আবারও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সম্প্রতি দ্বিতীয় দফার রানঅফ ভোটে প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হন এরদোয়ান, যেখানে ভোটারের হার ছিল ৮৬ শতাংশের বেশি। ভোটে তুরস্কের জনগণ সঠিক প্রার্থী বেছে নেবেন, এমন আস্থা ছিল বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার আস্থা প্রমাণিত হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশের জনগণ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তুরস্কে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিকম্পের মতো যেকোনো প্রয়োজনে তুরস্কের ভ্রাতৃপ্রতীম জনগণের পাশে দাঁড়াতে অবিচল থাকবে বলে শেখ হাসিনা পুনর্ব্যক্ত করেন।

দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে জয়ে তুরস্কের উচ্ছ্বসিত জনগণের সঙ্গে মানসিকভাবে বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতীম জনগণ একাত্ম ছিল উল্লেখ করে এরদোয়ান এ সময় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের জনগণকে ধন্যবাদ জানান এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার কামনা করেন। তিনি বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে শেখ হাসিনার সঙ্গে কাজ করার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

কথোপকথনের শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ও তার পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান এবং তার মাধ্যমে যেন তুরস্কের জনগণের জন্য শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অব্যাহত থাকে সেই কামনা করেন।


চুরি হওয়া অর্থ ফেরাতে কলম্বোর সহায়তা চেয়েছে ঢাকা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৪ এপ্রিল, ২০২৫ ২১:২১
বাসস

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিণী আমারাসুরিয়ার সাথে বৈঠক করেছেন।

এসময় দুই নেতা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার বন্ধু প্রতিম দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের অঙ্গীকার করেছেন।

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধারে তার দেশের প্রচেষ্টার কথা বর্ণনা করেন।

তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কার সংসদ পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য একটি নতুন আইন অনুমোদন করেছে।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া কোটি কোটি ডলার ফিরিয়ে আনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টায় শ্রীলঙ্কার সমর্থন চেয়েছেন।

দুই নেতা জুলাইয়ের বিদ্রোহের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করেন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগের গুরুত্বের উপর জোর দেন।

অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার এজেন্ডা এবং আগামী ডিসেম্বর থেকে আগামী বছর জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানে তার প্রশাসনের পরিকল্পনা বর্ণনা করেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র সচিব জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।


ঢাকার উদ্দেশে ব্যাংকক ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান শেষে ব্যাংকক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

আজ শুক্রবার থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি ব্যাংককের সুবর্ণ ভূমি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টা দুই দিনের থাইল্যান্ড সফরে বিমসটেক সম্মেলনে যোগদান ছাড়াও সাইডলাইনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বেশ কয়েকটি দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন।

গত ২ থেকে ৪ এপ্রিল তিন দিনের বিমসটেক সম্মেলন ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয়।


যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১

৬ স্বতন্ত্র এডি ব্রিগেডের অধীনস্থ উত্তরা আর্মি ক্যাম্প কর্তৃক দূরপাল্লার যানবাহনের ভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ছবি: আইএসপিআর
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

যৌথ বিাহিনীর অভিযানে গত ২৭ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত ৭ দিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৩৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, একাধিক মামলার আসামি, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য এবং মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে।
গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ১৫টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৩টি বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার দেশী অস্ত্র, চোরাই মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, জাল নোট ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে দেশব্যাপী পেশাদারত্বের সঙ্গে কাজ করে চলেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীন ইউনিট অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।
এসব যৌথ অভিযানে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, একাধিক মামলার আসামি, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য এবং মাদক ব্যবসায়ীসহ মোট ৩৪১ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আইএসপিআর আরও জানায়, প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য গ্রেপ্তারদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এছাড়াও, ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক করতে গণপরিবহনের টার্মিনাল ও স্টেশনসমূহে টহল, সচেতনতামূলক মাইকিং, কালোবাজারি রোধ ও টিকিটের সুষ্ঠু বন্টন নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পাশাপাশি, মহাসড়কে বিকল্প রুট, পার্কিং ব্যবস্থা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং রোড ব্লক প্রতিরোধে দিনরাত কাজ করেছে সেনা টহল দল, যা ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রাকে করেছে সহজ ও নিরাপদ।
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সাধারণ জনগণকে যেকোন সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিষয়ে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে তথ্য দিতে অনুরোধ জানিয়েছে আইএসপিআর।


১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেয়ার নিশ্চয়তা মিয়ানমারের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৪ এপ্রিল, ২০২৫ ২০:১৩
বাসস

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ৮ লাখ রোহিঙ্গার তালিকা থেকে প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের জন্য চিহ্নিত করেছে সে দেশের কর্তৃপক্ষ। একইসাথে তাদেরকে ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশকে নিশ্চয়তা দিয়েছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ।

২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ছয়টি ধাপে এই মূল তালিকা মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ।

আরো ৭০ হাজার রোহিঙ্গাকে চূড়ান্ত যাচাই বাছাইয়ের জন্য ছবি ও নাম মিলিয়ে দেখার কাজ চলমান রয়েছে।

আজ ব্যাংককে বিমসটেকের ষষ্ঠ সম্মেলনের ফাঁকে মিয়ানমারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউ থান শিউ এই তথ্য বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমানকে জানান।

এই প্রথম মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ একটি নিশ্চিত প্রত্যাবর্তনের তালিকা প্রদান করল, যা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, মূল তালিকায় থাকা বাকি ৫ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গার যাচাই দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহতদের প্রতি সমবেদনা জানান এবং বলেন, দুর্যোগকবলিত মানুষের জন্য বাংলাদেশ অতিরিক্ত মানবিক সহায়তা পাঠাতে প্রস্তুত রয়েছে।


গুলিবিদ্ধ শিশু মুসাকে দেখতে গেলেন বিএনএফডব্লিউএ’র প্রেসিডেন্ট

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত সাত বছরের শিশু বাসিত খান মুসা দীর্ঘ পাঁচ মাস সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দেশে ফিরেছে। আজ শুক্রবার তাকে দেখতে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) যান বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিবার কল্যাণ সংঘের (বিএনএফডব্লিউএ) প্রেসিডেন্ট নাদিয়া সুলতানা।
সন্ধ্যায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
আইএসপিআর জানায়, তিনি হাসপাতালে পৌঁছেই বাসিত খান মুসার শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করে শিশুটির চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত হন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি পরম মমতায় শিশুটির মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। শিশুটির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সান্তনা ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। সেই সঙ্গে দেশবাসী প্রতি শিশুটির দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৯ জুলাই ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মেরাদিয়া হাট এলাকায় নিজ বাসার নিচে দাদির সঙ্গে আইসক্রিম কিনতে যায় মুসা। এ সময় দাদি মায়া ইসলামসহ দুজনই গুলিবিদ্ধ হন। পরদিন তার দাদি মারা যান। মুসার মাথার এক পাশ দিয়ে গুলি ঢুকে আরেক পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ মুসাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ২৬ আগস্ট তাকে সিএমএইচয়ে স্থানান্তর করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ২২ অক্টোবর এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানকার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে দীর্ঘ পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে শিশু মুসা।


বিমসটেকের জন্য প্রধান উপদেষ্টার চারটি এজেন্ডা

আপডেটেড ৪ এপ্রিল, ২০২৫ ১৭:০৬
বাসস

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (বিমসটেক)-এর জন্য চারটি এজেন্ডা প্রস্তাব করেছেন।

তিনি যুবসমাজের শক্তিকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশি তরুণরা সামনে থেকে এতটা ইচ্ছা এবং কর্মপ্রচেষ্টা দেখাচ্ছে এমনকি শাসনব্যবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী কিছু ধারণা সংস্কার করার জন্যও প্রস্তাব করেছে।

অধ্যাপক ইউনূস কৃষিকাজ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিশেষ করে এই অঞ্চলের বিশাল ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর সাথে সংযোগ স্থাপনকারী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সম্পর্কিত ‘৪ আইআর’ সরঞ্জাম এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তাব করেছেন।

সরকার প্রধান বিমসটেক দেশ এবং সম্প্রদায়ের জন্য জ্ঞানের ক্ষেত্রে জোরালোভাবে জড়িত হওয়ার জন্য তাদের সম্পদ তৈরি, উদ্ভাবন এবং ভাগ করে নেওয়ার জন্য সমস্ত উপায় উন্মুক্ত করার সুপারিশ করেছেন।

তিনি এমন একটি ইকো-সিস্টেম প্রতিষ্ঠারও প্রস্তাব করেছেন যেখানে সরকার ছাড়াও অন্যান্য সংস্থাগুলো জনস্বাস্থ্য বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জলবায়ু অভিযোজন- জরুরি অবস্থা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিমসটেকের সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করতে পারে।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘সময় আমাদের পক্ষে নেই। আমাদের কেবল পরিবর্তন আনতে হবে না, রূপান্তর করতে হবে। এজন্যই বাংলাদেশ তিনটি শূন্যের বিশ্বকে এগিয়ে নিতে চায়: শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য কার্বন।’

শীর্ষ সম্মেলনের শেষে বাংলাদেশ আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করবে, তাই ঢাকায় বিমসটেকের সকল নেতাদের দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।


মোদিকে ছবি উপহার দিলেন অধ্যাপক ইউনূস

আপডেটেড ৪ এপ্রিল, ২০২৫ ১৭:০৮
বাসস

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ব্যাংককে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময় তাকে একটি ছবি উপহার দিয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার আজ বাসস’কে জানিয়েছেন, ছবিটি ২০১৫ সালের ৩ জানুয়ারি মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত ১০২তম ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসে অধ্যাপক ইউনূসকে স্বর্ণপদক প্রদানের সময়কার।


বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

আপডেটেড ৪ এপ্রিল, ২০২৫ ১৯:১৩
বাসস

বাংলাদেশ আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতিত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এর লক্ষ্য দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে আঞ্চলিক সংযোগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং উন্নয়ন বৃদ্ধি করা। কারণ, এই ব্লকটি ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে বৃহত্তর সংহতকরণের চেষ্টা করছে।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চলমান ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের শেষে এই হস্তান্তরটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে সাত সদস্যের আঞ্চলিক ব্লক: বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ডের নেতারা ‘সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক এবং উন্মুক্ত বিমসটেক’ থিমের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে একত্রিত হয়েছেন।

যারা এই বছরের শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছে, বাংলাদেশ সেই থাইল্যান্ডের কাছ থেকে সভাপতিত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করবে।

এই স্থানান্তর অনুষ্ঠানটি একটি আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হবে। সেখানে থাই প্রধানমন্ত্রী তার সমাপনী বক্তব্য রাখবেন এবং বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা তার মেয়াদকালে ব্লকের জন্য দেশের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবেন।

বিমসটেকের সনদ অনুসারে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের পদ বর্ণানুক্রমিকভাবে আবর্তিত হয়।

আজ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয় অংশগ্রহণকারী নেতাদের একটি প্রতীকী গ্রুপ ছবির মাধ্যমে। এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী, বিদায়ী বিমসটেক সভাপতি স্বাগত ভাষণ দেন।

মিয়ানমার এবং থাইল্যান্ডে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এরপর, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং অন্যান্য বিমসটেক নেতারা আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে তাদের দেশের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে বিবৃতি প্রদান করেন।

সকালে, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস থাই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রাতঃরাশের বৈঠকে যোগ দেন। সেখানে বিমসটেক কাঠামোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক এবং বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্ব জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য বিশেষ করে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি এবং সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমানভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

ঢাকার বিআইএমএসআরইসি সচিবালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেছেন, আগামী দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ নেতৃত্বের দায়িত্বে থাকায়, দেশটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সুবিধা, অবকাঠামোগত সংযোগ এবং জলবায়ু সহিষ্ণুতা বৃদ্ধির ওপর মনোনিবেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, নতুন বিমসটেক চেয়ার এখন সংগঠনের এজেন্ডা পরিচালনার জন্য কাজ শুরু করবে, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে, আঞ্চলিক ব্লকটি বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে কৌশলগত ভূমিকা পালন করে চলেছে।


প্রধান উপদেষ্টা-থাই প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।

এ ছাড়া প্রধান উপদেষ্টা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুক্রবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বাসস’কে আজ এ তথ্য জানিয়েছেন।

এ ছাড়া অধ্যাপক ইউনূস আজ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

এরআগে গতকাল থাইল্যান্ডের সামাজিক উন্নয়ন ও মানব নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী ভারাওয়াত সিল্পা-আর্চা এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী জিরাপর্ন সিন্ধুপ্রাই গতকাল অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।


মোদি-ইউনূস বৈঠক: শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণসহ সীমান্ত হত্যা নিয়ে আলোচনা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৪ এপ্রিল, ২০২৫ ১৮:৩২
ইউএনবি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণসহ দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কথা হয়েছে।
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের সাংরিলা হোটেলে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন শেষে স্থানীয় সময় শুক্রবার (৪ এপ্রিল) মধ্যাহ্নের পর তাদের দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠক হয়েছে।
পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এমন তথ্য দিয়েছেন।
দুই নেতার বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বৈঠকে দুদেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট যতগুলো ইস্যু ছিল, সবগুলো নিয়ে কথা হয়েছে। আমাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যতগুলো বিষয় ছিল, সবগুলো বিষয়ই প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন। যেমন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে কথা হয়েছে। শেখ হাসিনা যে ওখানে (ভারতে) বসে ইনসিন্ডিয়ারে (হিংসাত্মক) কথা বলছেন, সেগুলো নিয়ে কথা হয়েছে। সীমান্ত হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে, নতুন করে সেটা করা নিয়ে কথা হচ্ছে। তিস্তা পানি চুক্তি নিয়েও কথা হয়েছে।’
বৈঠকটি অনেক গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন শফিকুল আলম।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার উচ্চপ্রতিনিধি খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি–বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম ও পররাষ্ট্রসচিব মো. জসিম উদ্দিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হয়েছে।
এরআগে বৃহস্পতিবার বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন। নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলতে দেখা গেছে।
বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন। ২ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


ব্যাংককে অধ্যাপক ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক কাল

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৩ এপ্রিল, ২০২৫ ২১:১৮
বাসস

আগামীকাল ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মত অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে চলেছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের মধ্যে আগামীকাল বৈঠক হবে’।

তিনি জানান, ব্যাংককে আজ বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন।

নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলতে দেখা গেছে।

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন।

২ থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


বিমসটেক: নৈশভোজে পাশাপাশি ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি  

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে পাশাপাশি বসেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (মাঝে)। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৩ এপ্রিল, ২০২৫ ২১:০৯
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে বহুখাতীয়, কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগ—বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে পাশাপাশি বসেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের নেতাদের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এই নৈশভোজের আয়োজন করেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এদিন শাংগ্রি-লা হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে বিমসটেক নেতাদের স্বাগত জানান থাই প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন সিনাওয়াত্রা। এরপর নৈশভোজে একটি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও দেন তিনি।

আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছবিও তোলেন থাই প্রধানমন্ত্রী সিনাওয়াত্রা।

ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধান উপদেষ্টা। আজ সকাল ৯টার দিকে প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

উপ-প্রেস সচিব জানান, ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় থাইল্যান্ডের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দেশটির মন্ত্রী জিরাপোর্ন সিন্ধুপ্রাই অধ্যাপক ইউনূসকে স্বাগত জানান।

আগামীকাল (শুক্রবার) সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাসো শেরিং তোবগে এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকসহ বেশ কয়েকটি বৈঠক করার কথা রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের।

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত ছাড়ার আগে এক বিবৃতিতে মোদি বলেন, দেশের জনগণের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে সহযোগিতা জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা করতে তিনি বিমসটেক দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা সফর শুরুর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিমসটেক দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে আমি সাক্ষাৎ করব। আমাদের জনগণের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে ফলপ্রসূভাবে কীভাবে সহযোগিতা আরও জোরদার করা যায়, তার অপেক্ষা করছি।’

থাইল্যান্ডের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে অবতরণের পর শটির মন্ত্রী জিরাপোর্ন সিন্ধুপ্রাই অধ্যাপক ইউনূসকে স্বাগত জানান। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজের সৌজন্যে

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গত ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর এটাই হতে চলেছে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক অগ্রগতি।

বিমসটেকের মহাসচিব ইন্দ্র মণি পান্ডেও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

থাইল্যান্ডের সামাজিক উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ভারাউত সিলপা-আরচা এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত মন্ত্রী জিরাপোর্ন সিন্ধুপ্রাই বৃহস্পতিবার ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সম্মেলনের শেষের দিন (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। আগামী দুই বছর বাংলাদেশ এই জোটের নেতৃত্ব দেবে। ফলে এবারের শীর্ষ সম্মেলনটি বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ঢাকার কর্মকর্তারাও মনে করেন, এই শীর্ষ সম্মেলন দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশকে একটি ‘ন্যায়সঙ্গত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক’ দেশ হিসেবে উপস্থাপনের সুযোগ করে দেবে।

এ বছরের বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আগে বৃহস্পতিবার ‘বিমসটেক ইয়াং জেনারেশন ফোরাম: হোয়ার দ্য ফিউচার মিটস’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস।


বিমসটেকের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে যোগ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা সঙ্গে ছবি তোলেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় থাইল্যান্ডের ব্যাংককের একটি হোটেলে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে যোগ দিয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস নৈশভোজে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রার সঙ্গে ছবি তোলেন।

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধান উপদেষ্টা বুধবার ব্যাংকক পৌঁছান।

২ থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সম্মেলনে বিমসটেকভুক্ত বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানদের সঙ্গে আগামীকাল শুক্রবার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা।


banner close